আম্রপালি | Amrapali(125 Tk kg)
আম্রপালি বা বারি-৩
জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আম্রপালি আম বাজারে আসবে। বাংলাদেশের নওগাঁতে এই আম বেশি চাষ হয়। এটি একটি হাইব্রিড আম, যার মিষ্টতা অন্য আমের চেয়ে অনেক বেশি।
এই আমের আকার নীচের দিকে একটু সূঁচালো এবং উপরের দিকটা অনেকটা গোল। আকারের দিক থেকে এটি কিছুটা ছোট এবং এর খোসা মসৃণ বা তেলতেলে। অন্য আমের চেয়ে এই আমে মিষ্টি বেশি। এর স্বাদও অন্যরকম।
আশ্বিনা
আশ্বিনা(Asina) আম আমের মধ্যে সবথেকে নাবি জাত এই আম।যখন আমের মৌ মৌ গন্ধ শেষ হয়ে যায়,আশ্বিনা ঠিক সেই সময়ে হাজির হয় তার নিজ রুপে।আশ্বিনার আকার ফজলি আমের প্রায় সমতুল্য।এর ত্বকের রং কালচে ও সবুজ।নিচের দিক চুচালো আকৃতির।মজার ব্যাপার হলো আমটি পাকা আবস্থায় কাচার মত দেখা যায়।এর খোসা মাঝারি মোটা।শাঁস সাধারনত হলুদ ও হলুদাভাভ হয়ে থাকে। আশ্বিনা আমের গাছ মাঝারি থেকে দীর্ঘ আকৃতির হয়ে থাকে।
কাটিমন | Katimon
কাটিমন আম আসলে থাইল্যান্ড থেকে আনা একটি বারোমাসি আমের প্রজাতি। একে সুইট কাটিমনও বলে। বছর জুড়ে এই আম উৎপাদিত হয় বলে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে এই আমের চাষ বাড়ছে। এর স্বাদ ভালো, বেশ মিষ্টি হয় এবং এই আমে কোনও আঁশ থাকে না।
কাটিমন আম গাছে ফেব্রুয়ারি, মে ও নভেম্বর মাসে মুকুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিল, মে-জুন ও জুলাই-অগাস্ট মাসে আম পাকে। তবে মে থেকে
গুটি আম
গোপালভোগ | Gopalbhog
গৌড়মতি | Gouromoti – 120 TK KG
গৌড়মতি নামকরণ-
স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় নতুন জাতের এ আমের ‘গৌড়মতি’ নামকরণ করেছেন কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক। তিনি বর্তমানে রাজশাহী কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি জানিয়েছেন, আমটির সর্বপ্রথম সন্ধান পাওয়া যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তাই বাংলার প্রাচীন এই জনপদের ‘গৌড়’ থেকে ‘গৌড়’ আর মূল্য বিবেচনায় রত্নের সঙ্গে তুলনা করে ‘মতি’ শব্দের সমন্বয়ে নতুন জাতের এই আমটির ২০১৩ সালে নামকরণ করা হয়েছিল ‘গৌড়মতি’।কৃষিবিদ আবু হানিফ মিয়া, পরিচালক,উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং এর সহযোগিতায় গৌড়মতি আমের উদ্ভাবনের জন্য কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে (KIB) কৃষি পদক পেয়েছেন।
ফজলি । Fozli
বারি-৪ | Bari-4-Price-110Tk/kg
বারি-৪ আম বাংলাদেশের কৃষি গবেষকদের উদ্ভাবন। আশ্বিনা আমের সাথে বিদেশী একটি আমের সংকরায়নে এটি উদ্ভাবন হয়েছে। সাধারণত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে এই আম সংগ্রহ করা শুরু হয় এবং জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে এই আম বাজারে আসা শুরু করে। এই আম চিহ্নিত করা খুব সহজ। কারণ পাকা আমের রঙ একদম হলুদ বা সোনালি। আঁশহীন এই আম খেতে খুব একটা মিষ্টি না। তবে এর আঁটি ছোট ও পাতলা হয়।
বাংলাদেশের নওগাঁ জেলায় বারি-৪ আমের চাষ বেশি হয়। এছাড়া, এই আমের কাঁচা মিঠা স্বাদ থাকায় কাঁচা বারি-৪ আম অনেকের প্রিয়।
বারি-১৪ বা রঙিন আম
এটি দেশের বাইরে থেকে সংগ্রহ করা একটি আমের জাত। এর রঙ লালচে ধরনের। এই আম চেনার উপায়, এর গায়ে এক ধরনের মোমের আস্তরণ থাকে। এর মিষ্টতা বারি-২ বা বারি-৪ আমের কাছাকাছি।
লক্ষনভোগ | Lokkhonbhog-110-tk-kg
ল্যাংড়া । Langra
ল্যাংড়া
এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া ভার, যার ল্যাংড়া আম পছন্দ নয়। কথিত আছে, বেনারসের ল্যাংড়া ফকিরের নামে এর এমন নামকরণ হয়েছে।
সেজন্য ল্যাংড়া আমকে ভারতে ‘বানারসী আম’ হিসেবে ডাকা হয়। আম ক্যালেন্ডার ২০২৪ অনুযায়ী, ১০ জুন থেকে এই আম সংগ্রহ করা শুরু হবে।
ল্যাংড়া আম চিহ্নিত করার কথা বললে বলতে হয়, অন্য আমের চেয়ে এই আম চেনা অনেকটাই সহজ। কারণ এই আমে এক ধরনের ঝাঁঝ থাকে, যা এটিকে আলাদা করে।
হাড়িভাঙ্গা | Haribhanga
বাংলাদেশে যেসব আমের জনপ্রিয়তা আছে, তার মাঝে হাড়িভাঙ্গা আমও আছে। তবে রংপুর অঞ্চলে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ সবচেয়ে বেশি হয়।
জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে হাড়িভাঙ্গা আম বাজারে আসবে।
হাড়িভাঙ্গা আমের সাথে আঁটি আমের সম্পর্ক আছে বলে কথিত আছে। শোনা যায়, কেউ কোনও একটি আম খেয়ে তার আঁটি একটি হাড়ির মাঝে ফেলে দিয়েছে।
‘সেখান থেকেই যে গাছ হয়েছে, সেই গাছের আমের নাম দেওয়া হয়েছে হাড়িভাঙ্গা আম,’